অক্টোবরে ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি কমে ২ দশমিক ১ শতাংশে

ইউরোজোনে অক্টোবরে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশে।

ইউরোজোনে অক্টোবরে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশে। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশের সামান্য ওপরে থাকা এ হার অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ। খবর ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

খাদ্য ও জ্বালানি পণ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি (কোর ইনফ্লেশন) সেপ্টেম্বরের মতো অক্টোবরেও ২ দশমিক ৪ শতাংশে অপরিবর্তিত ছিল। তবে সেবা খাতে মূল্যচাপ কিছুটা বেড়েছে। এ খাতে মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ এবং সেপ্টেম্বরের তুলনায় দশমিক ২ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের বিশ্লেষক দিয়েগো ইসকারো বলেন, ‘সেবা খাতে দামের এ উল্লম্ফন ইসিবির কঠোরপন্থী নীতিনির্ধারকদের জন্য যুক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।’

ইউরোজোনের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ২ শতাংশ, যা পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য বেশি। বৃহস্পতিবার ইসিবি বৈঠকে নীতি সুদহার ২ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়। এর আগে এক বছরে আট দফায় সুদহার কমিয়ে অর্ধেকে নামানো হয়েছিল।

অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারে নতুন করে সুদহার কমানোর সম্ভাবনায় তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। সোয়াপ মার্কেটের হিসাবে ২০২৬ সালের জুন নাগাদ ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদহার কমতে পারে এমন সম্ভাবনা এখনো প্রায় ৪০ শতাংশ।

আইএনজি ব্যাংকের এফএক্স স্ট্র্যাটেজিস্ট ফ্রান্সেসকো পেসোল বলেন, ‘অক্টোবরে মূল্যস্ফীতির তথ্য দেখাচ্ছে যে ইসিবি আপাতত আর সুদহার কমানোর পরিকল্পনায় যাচ্ছে না।’

মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর ইউরোর বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১ ডলার ১৬ সেন্টে।

আরও